ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হুমকির নতুন মামলা, হাজির হওয়ার নির্দেশ Logo শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলাজট কমানো সম্ভব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo অপ্রতিম হত্যা মামলায় চার্জশিট: মোবাইল ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় খুন Logo ডিভি লটারি: বাংলাদেশিদের জন্য কী খবর, কবে আবেদন শুরু? Logo পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কী, ক্ষমতা কতটুকু ও কতদিন কার্যকর থাকে? Logo সরকারি খরচে পৌনে ৫ লাখের বেশি মামলায় মিলল আইনি সহায়তা Logo অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের আদায় করে দেওয়া হলো ৪২৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ Logo মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ Logo রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধার প্রতিবাদে হাইকোর্টে রিট Logo ৩৫ বছর বয়সের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী

বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা ২২ আগস্ট, চলবে ৪ ঘণ্টা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একযোগে ৪ ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বার কাউন্সিলের সদস্যসচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এনরোলমেন্ট কমিটির নির্দেশক্রমে গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই এই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সব প্রার্থীকে নির্ধারিত ওয়েব লিংক ব্যবহার করে নিজ নিজ ফরম পূরণ এবং প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে কোনো প্রার্থীর অনুকূলে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card) ইস্যু করা হবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষা-বিধি অনুযায়ী যারা ‘রি-অ্যাপিয়ার’ (অনিয়মিত) প্রার্থী রয়েছেন, তাদের অনলাইন ফরম পূরণ ও ফি পরিশোধের নিয়ম এবং নিয়মিত প্রার্থীদের প্রোফাইল সাবমিট সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত সব নোটিশ বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ার তিন ধাপ
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত বা সনদ পেতে একজন প্রার্থীকে কঠোর তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়:
১. এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষা: আইনে স্নাতক (এলএলবি) পাসের পর কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর অধীনে ‘ইন্টিমেশন’ (শিক্ষানবিস ঘোষণা) জমা দিতে হয়। এর ৬ মাস পর প্রার্থীরা প্রথম ধাপ অর্থাৎ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।
২. লিখিত পরীক্ষা: এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে লিখিত পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা অর্জন করেন।
৩. মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা): লিখিত পরীক্ষায় পাস করার পর সর্বশেষ ধাপ হিসেবে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

মৌখিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই একজন প্রার্থীকে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা পরিচালনার চূড়ান্ত সনদ দেওয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগদানের মাধ্যমে তারা নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু করতে পারেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে দেশের আইনজীবীদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হুমকির নতুন মামলা, হাজির হওয়ার নির্দেশ

বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা ২২ আগস্ট, চলবে ৪ ঘণ্টা

আপডেট সময় ০৮:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একযোগে ৪ ঘণ্টাব্যাপী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বার কাউন্সিলের সদস্যসচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এনরোলমেন্ট কমিটির নির্দেশক্রমে গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই এই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সব প্রার্থীকে নির্ধারিত ওয়েব লিংক ব্যবহার করে নিজ নিজ ফরম পূরণ এবং প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে কোনো প্রার্থীর অনুকূলে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card) ইস্যু করা হবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষা-বিধি অনুযায়ী যারা ‘রি-অ্যাপিয়ার’ (অনিয়মিত) প্রার্থী রয়েছেন, তাদের অনলাইন ফরম পূরণ ও ফি পরিশোধের নিয়ম এবং নিয়মিত প্রার্থীদের প্রোফাইল সাবমিট সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত সব নোটিশ বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ার তিন ধাপ
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত বা সনদ পেতে একজন প্রার্থীকে কঠোর তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়:
১. এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষা: আইনে স্নাতক (এলএলবি) পাসের পর কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর অধীনে ‘ইন্টিমেশন’ (শিক্ষানবিস ঘোষণা) জমা দিতে হয়। এর ৬ মাস পর প্রার্থীরা প্রথম ধাপ অর্থাৎ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।
২. লিখিত পরীক্ষা: এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে লিখিত পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা অর্জন করেন।
৩. মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা): লিখিত পরীক্ষায় পাস করার পর সর্বশেষ ধাপ হিসেবে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

মৌখিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই একজন প্রার্থীকে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা পরিচালনার চূড়ান্ত সনদ দেওয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগদানের মাধ্যমে তারা নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু করতে পারেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে দেশের আইনজীবীদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।