বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে ভিসা সাক্ষাৎকারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অধীন কনস্যুলার কর্মকর্তাদের জন্য একটি বৈশ্বিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদনকারীদের আরও কার্যকরভাবে মূল্যায়নের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি জনকল্যাণমূলক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন—এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
যেসব অভিবাসী ভিসাপ্রার্থীর সাক্ষাৎকারের তারিখ আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল, তাঁদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের ই-মেইলের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানানো হচ্ছে। নতুন সাক্ষাৎকারের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিসা ও অভিবাসন-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ কিংবা ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশগ্রহণের মতো কর্মকাণ্ডের কারণেও কিছু ক্ষেত্রে ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল বা আবেদন প্রত্যাখ্যানের ঘটনা সামনে এসেছে।
আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির কয়েকটি উদ্যোগ ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সম্প্রতি একটি মার্কিন আদালত বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ওপর অভিবাসী ভিসা স্থগিতসংক্রান্ত একটি নীতি বাতিল করে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ওই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।
এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈষম্য তৈরি করছে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক 














