ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo লালবাগ কেল্লা: ছুটির দিনে হারিয়ে যান মুঘল ইতিহাসের অসমাপ্ত দুর্গে Logo দুর্নীতিমুক্ত আদালত গঠনে প্রধান বিচারপতিকে এক মাসের আল্টিমেটাম Logo ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের Logo রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র Logo যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ড: আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি ৪ সপ্তাহ মুলতবি Logo ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়েই কোম্পানি আইন সংশোধন: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo বাংলাভাষী মুসলিম নারীকে বাংলাদেশে পুশব্যাক:আসাম সরকারকে ২ লাখ রুপি জরিমানা Logo পাস হলো মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিকার বিল Logo সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মায়ের ভোগাধিকার, আইন পাস Logo বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি: সফলতার পূর্ণাঙ্গ ও ব্যবহারিক নির্দেশিকা

মানবপাচার ও চোরাচালানে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানবপাচার ও চোরাচালান চক্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার কঠোরভাবে দমনে আন্তর্জাতিক মানের নতুন আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ শীর্ষক এই জাতীয় অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের নিত্যনতুন কৌশল মোকাবিলায় দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। এই গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থার ওপর বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। সদ্য প্রণীত আইনটি দেশের জন্য একটি বড় মাইলফলক বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে নিবিড় ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।”

সভায় নতুন আইনের মূল দিকগুলো তুলে ধরা হয়, যেখানে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মানবপাচার এবং অভিবাসী চোরাচালানকে সুস্পষ্টভাবে দুটি আলাদা অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অভিবাসী চোরাচালান দমন ও অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সুনির্দিষ্ট ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। অপরাধের তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে অন্যান্য দেশের সাথে তথ্য আদান-প্রদান ও সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা ও প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ,

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালবাগ কেল্লা: ছুটির দিনে হারিয়ে যান মুঘল ইতিহাসের অসমাপ্ত দুর্গে

মানবপাচার ও চোরাচালানে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মানবপাচার ও চোরাচালান চক্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার কঠোরভাবে দমনে আন্তর্জাতিক মানের নতুন আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ শীর্ষক এই জাতীয় অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের নিত্যনতুন কৌশল মোকাবিলায় দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। এই গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থার ওপর বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। সদ্য প্রণীত আইনটি দেশের জন্য একটি বড় মাইলফলক বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে নিবিড় ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।”

সভায় নতুন আইনের মূল দিকগুলো তুলে ধরা হয়, যেখানে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মানবপাচার এবং অভিবাসী চোরাচালানকে সুস্পষ্টভাবে দুটি আলাদা অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অভিবাসী চোরাচালান দমন ও অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সুনির্দিষ্ট ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। অপরাধের তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে অন্যান্য দেশের সাথে তথ্য আদান-প্রদান ও সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা ও প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ,