বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিপন্থি আইনজীবীদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নতুন অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই অ্যাডহক কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ৩০ জুন) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের এই অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।
‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২’-এর ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই কমিটি গঠন করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১ বছর কার্যকর থাকবে।
পদাধিকারবলে এই অ্যাডহক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। কমিটির অন্য ১৪ জন সদস্য হলেন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার,অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন
জামায়াতপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির
এনসিপিপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু
নির্বাচন না দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল পরিচালনার এই সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক দাবি করে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে চলতি সপ্তাহেই এই রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
আদালত প্রতিবেদক 


















