ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের Logo বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি: ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে মামলা নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত জনসন অ্যান্ড জনসনের Logo বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড Logo বেরোবি’র সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহর জামিননামা মঞ্জুর, মুক্তিতে বাধা নেই Logo টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo বিকাশ, নগদ ও রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল Logo সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই করেই সিদ্ধান্ত: আইনমন্ত্রী Logo সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের কোনো আইনি ভিত্তি দেখছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সাবেক রাষ্ট্রপতিকে কি গ্রেপ্তার করা সম্ভব? সাংবিধানিক দায়মুক্তি ও আইনি বিতর্কের ব্যবচ্ছেদ Logo সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলো ২৩৪৬টি মামলা

ঘরে বসেই জিডি করুন: অনলাইন জিডি সম্পর্কে যা জানা জরুরি

বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সেবাকে সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিতে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইন জিডি (General Diary) বা ‘Online GD’ প্রক্রিয়া চালু করেছে। এখন আর সাধারণ ডায়েরি করার জন্য থানায় গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজে জিডি করা যায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অনলাইনে জিডি করার বিস্তারিত নিয়ম ও তথ্য নিচে সুবিন্যস্তভাবে দেওয়া হলো:

অনলাইনে কোন কোন বিষয়ে জিডি করা যায়?

অনলাইনে সাধারণত হারানো বা প্রাপ্তি সংক্রান্ত এবং নথিপত্র বা মূল্যবান জিনিসপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে জিডি করা যায়। যেমন:

  • ডকুমেন্টস বা নথিপত্র: সার্টিফিকেট, মার্কশিট, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক চেক বই, এটিএম কার্ড, প্রবেশপত্র, দলিল ইত্যাদি হারানো বা প্রাপ্তি।
  • মূল্যবান জিনিসপত্র: মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, গহনা, মোটরযান (মোটরসাইকেল/গাড়ি) ইত্যাদি হারানো বা প্রাপ্তি।
  • অন্যান্য: গৃহপালিত পশুপাখি হারানো, অপরিচিত কেউ আপনার বাড়ির ঠিকানা বা কোনো এলাকায় অবস্থান নিলে, কিংবা ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য।

জরুরি নোট: যেকোনো ধরনের মারামারি, খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, পারিবারিক সহিংসতা বা যেখানে তাত্ক্ষণিক পুলিশের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, সেই সংক্রান্ত অপরাধমূলক বা আমলযোগ্য ঘটনার জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে এজাহার বা মামলা/জিডি করতে হবে। এগুলো অনলাইনে করা যাবে না।

অনলাইন জিডি করতে কী কী প্রয়োজন?

অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে নিচের তথ্য বা নথিপত্রগুলো সাথে রাখুন: ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর। ২. আবেদনকারীর নামে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর। ৩. আবেদনকারীর জন্ম তারিখ (NID অনুযায়ী)। ৪. লাইভ চেহারার ছবি তোলার জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরা সম্বলিত মোবাইল বা কম্পিউটার (আবেদনকারীর লাইভ ছবি যাচাই করা হয়)।

অনলাইনে জিডি করার ধাপসমূহ

আপনি চাইলে গুগল প্লে স্টোর থেকে “Online GD” অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা সরাসরি ব্রাউজার থেকে gd.police.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিচের প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে পারেন:

ধাপ : নিবন্ধন (Registration) পরিচয় যাচাই

  • অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে নিবন্ধন বা ‘Register’ বাটনে ক্লিক করুন।
  • আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর, জন্ম তারিখ এবং মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে ইনপুট দিন।
  • এরপর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) বা ভেরিফিকেশন কোড আসবে, সেটি বসিয়ে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করুন।
  • এরপর আপনার মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে একটি লাইভ ছবি (Face Verification) তুলতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের সাথে আপনার ছবি ও তথ্য মিলে গেলে নিবন্ধন সফল হবে।

ধাপ : লগইন (Login)

  • নিবন্ধন সফল হওয়ার পর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি পাসওয়ার্ড পাঠানো হবে।
  • আপনার মোবাইল নম্বর এবং ওই পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করে অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করুন। (লগইন করার পর আপনি নিজের সুবিধামতো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিতে পারবেন)।

ধাপ : আবেদনের বিবরণ পূরণ (আবেদন ফরম)

লগইন করার পর জিডি করার মূল ফরমটি আসবে। এটিকে ৩টি অংশে পূরণ করতে হবে:

  • . জিডির ধরন তথ্য: প্রথমে সিলেক্ট করুন আপনি কী হারিয়েছেন নাকি কোনো কিছু খুঁজে পেয়েছেন (হারানো/প্রাপ্তি)। এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে সুনির্দিষ্ট জিনিসটি (যেমন: মোবাইল বা সার্টিফিকেট) সিলেক্ট করুন।
  • . ঘটনাস্থল সময়: জিনিসটি ঠিক কোথায়, কোন জেলায়, কোন থানার অধীনে এবং কোন তারিখে ও সময়ে হারিয়েছে বা পাওয়া গেছে—তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করুন।
  • . নথিপত্র/জিনিসের বর্ণনা প্রমাণ: হারানো জিনিসটির বিস্তারিত বিবরণ দিন (যেমন: মোবাইলের ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডের নাম, আইএমইআই নম্বর, সিম নম্বর; সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন)। যদি কোনো ডকুমেন্টের ছবি বা স্ক্যান কপি থাকে, তবে তা আপলোড করার অপশন পাবেন।

ধাপ : থানা নির্বাচন সাবমিট

  • সব তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে কোন থানায় জিডিটি পাঠাতে চান (ঘটনাস্থল যে থানার অধীনে) তা সিলেক্ট করুন।
  • পুরো আবেদনটি একবার রিভিও করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

জিডি করার পর করণীয় ট্র্যাকিং

  • আবেদন সাবমিট হওয়ার সাথে সাথেই আপনার স্ক্রিনে একটি ডিজিটাল ট্র্যাকিং নম্বর আসবে এবং মোবাইলে কনফার্মেশন এসএমএস আসবে।
  • আপনার আবেদনটি সংশ্লিষ্ট থানার ডিউটি অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে চলে যাবে। তিনি তথ্য যাচাই করে জিডিটি অনুমোদন  করবেন।
  • জিডি অনুমোদিত হলে আপনি মোবাইলে আরেকটি এসএমএস পাবেন।
  • এরপর আপনি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করে ডিজিটাল স্বাক্ষর সরকারি সিল সম্বলিত জিডির কপিটি (PDF) ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এই অনলাইন কপিটিই সব আইনি কাজের জন্য (যেমন: নতুন সিম তোলা বা ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট তোলা) সম্পূর্ণ বৈধ।

অনলাইন জিডির সুবিধা

  • কোনো ফি নেই: অনলাইনে জিডি করার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি সেবা।
  • সময় বাঁচায়: থানায় গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার প্রয়োজন নেই, ৫ থেকে ১০ মিনিটেই করা সম্ভব।
  • স্বচ্ছতা: আপনার জিডির বর্তমান অবস্থা (তদন্তাধীন নাকি অনুমোদিত) আপনি ঘরে বসেই ট্র্যাক করতে পারবেন।

 

Tag :

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

ঘরে বসেই জিডি করুন: অনলাইন জিডি সম্পর্কে যা জানা জরুরি

আপডেট সময় ০৮:১৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সেবাকে সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিতে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইন জিডি (General Diary) বা ‘Online GD’ প্রক্রিয়া চালু করেছে। এখন আর সাধারণ ডায়েরি করার জন্য থানায় গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজে জিডি করা যায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অনলাইনে জিডি করার বিস্তারিত নিয়ম ও তথ্য নিচে সুবিন্যস্তভাবে দেওয়া হলো:

অনলাইনে কোন কোন বিষয়ে জিডি করা যায়?

অনলাইনে সাধারণত হারানো বা প্রাপ্তি সংক্রান্ত এবং নথিপত্র বা মূল্যবান জিনিসপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে জিডি করা যায়। যেমন:

  • ডকুমেন্টস বা নথিপত্র: সার্টিফিকেট, মার্কশিট, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক চেক বই, এটিএম কার্ড, প্রবেশপত্র, দলিল ইত্যাদি হারানো বা প্রাপ্তি।
  • মূল্যবান জিনিসপত্র: মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, গহনা, মোটরযান (মোটরসাইকেল/গাড়ি) ইত্যাদি হারানো বা প্রাপ্তি।
  • অন্যান্য: গৃহপালিত পশুপাখি হারানো, অপরিচিত কেউ আপনার বাড়ির ঠিকানা বা কোনো এলাকায় অবস্থান নিলে, কিংবা ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য।

জরুরি নোট: যেকোনো ধরনের মারামারি, খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, পারিবারিক সহিংসতা বা যেখানে তাত্ক্ষণিক পুলিশের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, সেই সংক্রান্ত অপরাধমূলক বা আমলযোগ্য ঘটনার জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে এজাহার বা মামলা/জিডি করতে হবে। এগুলো অনলাইনে করা যাবে না।

অনলাইন জিডি করতে কী কী প্রয়োজন?

অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে নিচের তথ্য বা নথিপত্রগুলো সাথে রাখুন: ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর। ২. আবেদনকারীর নামে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর। ৩. আবেদনকারীর জন্ম তারিখ (NID অনুযায়ী)। ৪. লাইভ চেহারার ছবি তোলার জন্য ফ্রন্ট ক্যামেরা সম্বলিত মোবাইল বা কম্পিউটার (আবেদনকারীর লাইভ ছবি যাচাই করা হয়)।

অনলাইনে জিডি করার ধাপসমূহ

আপনি চাইলে গুগল প্লে স্টোর থেকে “Online GD” অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা সরাসরি ব্রাউজার থেকে gd.police.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিচের প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে পারেন:

ধাপ : নিবন্ধন (Registration) পরিচয় যাচাই

  • অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে নিবন্ধন বা ‘Register’ বাটনে ক্লিক করুন।
  • আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর, জন্ম তারিখ এবং মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে ইনপুট দিন।
  • এরপর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) বা ভেরিফিকেশন কোড আসবে, সেটি বসিয়ে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করুন।
  • এরপর আপনার মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে একটি লাইভ ছবি (Face Verification) তুলতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের সাথে আপনার ছবি ও তথ্য মিলে গেলে নিবন্ধন সফল হবে।

ধাপ : লগইন (Login)

  • নিবন্ধন সফল হওয়ার পর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি পাসওয়ার্ড পাঠানো হবে।
  • আপনার মোবাইল নম্বর এবং ওই পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করে অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করুন। (লগইন করার পর আপনি নিজের সুবিধামতো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিতে পারবেন)।

ধাপ : আবেদনের বিবরণ পূরণ (আবেদন ফরম)

লগইন করার পর জিডি করার মূল ফরমটি আসবে। এটিকে ৩টি অংশে পূরণ করতে হবে:

  • . জিডির ধরন তথ্য: প্রথমে সিলেক্ট করুন আপনি কী হারিয়েছেন নাকি কোনো কিছু খুঁজে পেয়েছেন (হারানো/প্রাপ্তি)। এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে সুনির্দিষ্ট জিনিসটি (যেমন: মোবাইল বা সার্টিফিকেট) সিলেক্ট করুন।
  • . ঘটনাস্থল সময়: জিনিসটি ঠিক কোথায়, কোন জেলায়, কোন থানার অধীনে এবং কোন তারিখে ও সময়ে হারিয়েছে বা পাওয়া গেছে—তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করুন।
  • . নথিপত্র/জিনিসের বর্ণনা প্রমাণ: হারানো জিনিসটির বিস্তারিত বিবরণ দিন (যেমন: মোবাইলের ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডের নাম, আইএমইআই নম্বর, সিম নম্বর; সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন)। যদি কোনো ডকুমেন্টের ছবি বা স্ক্যান কপি থাকে, তবে তা আপলোড করার অপশন পাবেন।

ধাপ : থানা নির্বাচন সাবমিট

  • সব তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে কোন থানায় জিডিটি পাঠাতে চান (ঘটনাস্থল যে থানার অধীনে) তা সিলেক্ট করুন।
  • পুরো আবেদনটি একবার রিভিও করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

জিডি করার পর করণীয় ট্র্যাকিং

  • আবেদন সাবমিট হওয়ার সাথে সাথেই আপনার স্ক্রিনে একটি ডিজিটাল ট্র্যাকিং নম্বর আসবে এবং মোবাইলে কনফার্মেশন এসএমএস আসবে।
  • আপনার আবেদনটি সংশ্লিষ্ট থানার ডিউটি অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে চলে যাবে। তিনি তথ্য যাচাই করে জিডিটি অনুমোদন  করবেন।
  • জিডি অনুমোদিত হলে আপনি মোবাইলে আরেকটি এসএমএস পাবেন।
  • এরপর আপনি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে লগইন করে ডিজিটাল স্বাক্ষর সরকারি সিল সম্বলিত জিডির কপিটি (PDF) ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এই অনলাইন কপিটিই সব আইনি কাজের জন্য (যেমন: নতুন সিম তোলা বা ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট তোলা) সম্পূর্ণ বৈধ।

অনলাইন জিডির সুবিধা

  • কোনো ফি নেই: অনলাইনে জিডি করার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি সেবা।
  • সময় বাঁচায়: থানায় গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার প্রয়োজন নেই, ৫ থেকে ১০ মিনিটেই করা সম্ভব।
  • স্বচ্ছতা: আপনার জিডির বর্তমান অবস্থা (তদন্তাধীন নাকি অনুমোদিত) আপনি ঘরে বসেই ট্র্যাক করতে পারবেন।