নির্দিষ্ট কয়েকটি আইনের মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপস-মীমাংসা করে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা পেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর অনুমোদনের পর মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
পরিপত্র অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু আইনের অধীনে দায়ের হওয়া মামলা এডিআর পদ্ধতিতে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে পারবে লিগ্যাল এইড অফিস। এর মধ্যে রয়েছে—পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫; পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ও ৪ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ) ধারা।
এ ছাড়া দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩৫৪, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮১, ৪০৬, ৪১৭, ৪২০, ৪৯৪, ৫০০, ৫০১ ও ৫১১ ধারা, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৮, ৯, ১২, ৩৯, ৪২ ও ৫৪ ধারা এবং Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারার মামলাও এই ব্যবস্থার আওতায় আনা যাবে।
এডিআর বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি হলো আদালতে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার বাইরে মধ্যস্থতা বা আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি। এর মাধ্যমে আইনগতভাবে আপসযোগ্য বিরোধ তুলনামূলক কম সময়ে ও কম খরচে নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে এডিআর ব্যবস্থার সম্প্রসারণ মামলাজট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে পরিপত্রে নির্দিষ্ট করে দেওয়া ধারার বাইরে সব ধরনের মামলা এই প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা যাবে না।
আইনবার্তা ডেস্ক২৪ 













