ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হুমকির নতুন মামলা, হাজির হওয়ার নির্দেশ Logo শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলাজট কমানো সম্ভব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo অপ্রতিম হত্যা মামলায় চার্জশিট: মোবাইল ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় খুন Logo ডিভি লটারি: বাংলাদেশিদের জন্য কী খবর, কবে আবেদন শুরু? Logo পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কী, ক্ষমতা কতটুকু ও কতদিন কার্যকর থাকে? Logo সরকারি খরচে পৌনে ৫ লাখের বেশি মামলায় মিলল আইনি সহায়তা Logo অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের আদায় করে দেওয়া হলো ৪২৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ Logo মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ Logo রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধার প্রতিবাদে হাইকোর্টে রিট Logo ৩৫ বছর বয়সের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী

প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা

বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথ। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম শুনানিতে বলেন, মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে কৌশিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন কৌশিক দেবনাথ। তখন আদালত তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে মামলাটি করেন।

মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আদালতে আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আবেদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রশ্নফাঁস চক্র পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করত। পরে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো।

এ প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের বিনিময়ে আগাম মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হতো বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হুমকির নতুন মামলা, হাজির হওয়ার নির্দেশ

প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথ। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম শুনানিতে বলেন, মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে কৌশিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন কৌশিক দেবনাথ। তখন আদালত তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে মামলাটি করেন।

মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আদালতে আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আবেদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রশ্নফাঁস চক্র পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করত। পরে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো।

এ প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের বিনিময়ে আগাম মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হতো বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।