ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo লালবাগ কেল্লা: ছুটির দিনে হারিয়ে যান মুঘল ইতিহাসের অসমাপ্ত দুর্গে Logo দুর্নীতিমুক্ত আদালত গঠনে প্রধান বিচারপতিকে এক মাসের আল্টিমেটাম Logo ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের Logo রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র Logo যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ড: আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি ৪ সপ্তাহ মুলতবি Logo ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়েই কোম্পানি আইন সংশোধন: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo বাংলাভাষী মুসলিম নারীকে বাংলাদেশে পুশব্যাক:আসাম সরকারকে ২ লাখ রুপি জরিমানা Logo পাস হলো মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিকার বিল Logo সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মায়ের ভোগাধিকার, আইন পাস Logo বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি: সফলতার পূর্ণাঙ্গ ও ব্যবহারিক নির্দেশিকা

প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা

বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথ। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম শুনানিতে বলেন, মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে কৌশিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন কৌশিক দেবনাথ। তখন আদালত তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে মামলাটি করেন।

মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আদালতে আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আবেদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রশ্নফাঁস চক্র পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করত। পরে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো।

এ প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের বিনিময়ে আগাম মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হতো বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালবাগ কেল্লা: ছুটির দিনে হারিয়ে যান মুঘল ইতিহাসের অসমাপ্ত দুর্গে

প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসি কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথ। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তার পক্ষে আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম শুনানিতে বলেন, মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্রে কৌশিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন কৌশিক দেবনাথ। তখন আদালত তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে মামলাটি করেন।

মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আদালতে আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আবেদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রশ্নফাঁস চক্র পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করত। পরে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো।

এ প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহের বিনিময়ে আগাম মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হতো বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।